Monday, May 9, 2016

২০৩০ সালে মানুষের বসতি হবে চাঁদে

বাজ অলড্রিন। চাঁদে পা রাখা দ্বিতীয় এই মানুষ মনে করেন খুব শিগগিরই পৃথিবীবাসী তার উপগ্রহে বসতি গড়তে সক্ষম হবে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আজকে পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রের মতো এটি আরও বড় পরিসরে তৈরি হবে।
বাজ অলড্রিন। চাঁদে পা রাখা দ্বিতীয় এই মানুষ মনে করেন খুব শিগগিরই পৃথিবীবাসী তার উপগ্রহে বসতি গড়তে সক্ষম হবে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আজকে পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রের মতো এটি আরও বড় পরিসরে তৈরি হবে।
চাঁদে বসতি গড়ার লক্ষ্যে এরই মধ্যে বিশ্বের অনেক দেশ একত্রে কাজও শুরু করেছে। অলড্রিন বলেন, চাঁদে মানুষের এই বসতি হবে স্থায়ী। তবে সেখানে স্থায়ীভাবে মানুষের থাকতে হবে না। কেননা, বাস্তবে পৃথিবী থেকে সেখানে যাতায়াত মানুষের জন্য খুব সহজ হবে। তাঁর মতে, চাঁদে যাতায়াতের জন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো শাটলযানের ব্যবস্থা করতে পারবে। আর এসবের সফল বাস্তবায়ন হলে পরবর্তীতে তা মঙ্গল গ্রহে বসতি গড়ার পথ আরও সুগম করবে।
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার ২০১৫ সালের জুলাই মাসে প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়, আগামী ৫ থেকে ৭ বছরের মধ্যেই চাঁদে একটি কলোনি স্থাপন সম্ভব হবে। এতে ব্যয় হবে ১০ বিলিয়ন ডলার। যদিও এই কলোনিতে যাওয়া মানুষের পৃথিবীতে ফিরে আসার বিষয়ে কোন আলোকপাত করা হয়নি। তবে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি’র নির্বাহী পরিচালক জেন ওয়ের্নার এই পরিকল্পনা নিয়ে বেশ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
ওয়ের্নারের মতে, চাঁদে বসতি মহাবিশ্বে মানুষের অনুসন্ধানী কার্যক্রমের সক্ষমতা আরও বাড়াবে। এর ফলে সম্পূর্ণ নতুন পরিবেশে নভোচারীদের কাজের অভিজ্ঞতা হবে। পৃথিবীর বাইরে খনিজ সংগ্রহ এবং মহাকাশ পর্যটনের পথও উম্মুক্ত হবে।
চাঁদে মানুষের বসতি অভিযানের সফলতায় অন্যান্য দেশের মধ্যে চীনকেই এগিয়ে রাখছেন অলড্রিন। কেননা, তাঁর হিসেবে রাশিয়া, ইউরোপ কিংবা জাপানের চাইতে চীন অনেক বেশি সংগঠিত।

0 comments:

Post a Comment

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More